অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারের লক্ষণ ও চিকিৎসা
অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার (Pancreatic Cancer): নীরবে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ ধ্বংস করে দিতে পারে যে মারণব্যাধি!
পেটের ওপরের অংশে ব্যথা, পিঠে ছড়িয়ে পড়া যন্ত্রণা, কোনো কারণ ছাড়াই ওজন কমে যাওয়া কিংবা খাবারে অরুচি হচ্ছে কিংবা চোখ-ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়া। আপনার শরীরেও কি দেখা দিচ্ছে এমন লক্ষণ?
এমন লক্ষণ থাকলে শরীরের পরিবর্তনগুলোকে অবহেলা করবেন না।
অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারের সবচেয়ে উদ্বেগজনক দিক হলো, প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক রোগীরই স্পষ্ট কোনো লক্ষণ থাকে না। যখন লক্ষণ প্রকাশ পায়, তখন কোনো কোনো রোগীর ক্যান্সার ইতোমধ্যে আশপাশের অঙ্গ বা শরীরের দূরবর্তী অংশে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার আসলে কী-----------------?
অগ্ন্যাশয় বা Pancreas হলো পাকস্থলীর পেছনে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। এটি খাবার হজমে সহায়তাকারী এনজাইম তৈরি করে এবং ইনসুলিনসহ বিভিন্ন হরমোন নিঃসরণের মাধ্যমে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখে।
এই অঙ্গের কোষে অস্বাভাবিক পরিবর্তন ঘটে অনিয়ন্ত্রিতভাবে বৃদ্ধি শুরু হলে ক্যান্সার সৃষ্টি হতে পারে। অগ্ন্যাশয়ের অধিকাংশ ক্যান্সার এর নালির কোষ থেকে উৎপন্ন হয়, যাকে Pancreatic Adenocarcinoma বলা হয়।
অগ্ন্যাশয়ের অবস্থান এমন যে, এর টিউমার পিত্তনালি, যকৃৎ, পাকস্থলী, অন্ত্র, স্নায়ু ও গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালির কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে। আর প্রাথমিক পর্যায়ে স্পষ্ট লক্ষণ না থাকায় রোগটি শনাক্ত করা কঠিন হতে পারে।
যে লক্ষণগুলো নিজের শরীরের সঙ্গে মিলিয়ে দেখবেন-------------
প্রাথমিক ও অগ্রসর পর্যায়ে দেখা দিতে পারে এমন গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণগুলো হলো:
১- পেটের ওপরের অংশে ব্যথা:--- দীর্ঘস্থায়ী বা বারবার ফিরে আসা ব্যথা, যা কখনো পিঠ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।
২- অকারণে দ্রুত ওজন কমে যাওয়া: ---- খাবার গ্রহণে বড় কোনো পরিবর্তন না থাকলেও শরীরের ওজন কমতে থাকা।
৩- চোখ ও ত্বক হলুদ হয়ে যাওয়া:------ জন্ডিসের সঙ্গে প্রস্রাব গাঢ় হওয়া, মল ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া এবং ত্বকে তীব্র চুলকানি দেখা দেওয়া।
৪- ক্ষুধামন্দা ও খাবারে অনীহা:----- অল্প খাবারেই পেট ভরে যাওয়া বা খেতে ইচ্ছা না করা।
৫- বমি বমি ভাব ও বমি:----- খাবার গ্রহণের পর অস্বস্তি, পেটব্যথা বা বারবার বমি হওয়া।
৬- অস্বাভাবিক দুর্বলতা ও ক্লান্তি:----- পর্যাপ্ত বিশ্রামের পরও শক্তি না পাওয়া এবং স্বাভাবিক কাজকর্মে কষ্ট হওয়া।
৭- পেট ফাঁপা ও হজমের সমস্যা:----- অতিরিক্ত গ্যাস, পেটের অস্বস্তি এবং খাবার হজমে সমস্যা অনুভব করা।
৮- তৈলাক্ত বা ভাসমান মল:----- মল ফ্যাকাশে, তৈলাক্ত বা পানিতে ভাসমান হতে পারে, যা চর্বি হজম ও শোষণের সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে।
৯- নতুন করে ডায়াবেটিস দেখা দেওয়া বা রক্তে শর্করা বেড়ে যাওয়া:------ বিশেষ করে আগে ডায়াবেটিস না থাকা অবস্থায় হঠাৎ রক্তে শর্করা বেড়ে যাওয়া কখনো অগ্ন্যাশয়ের সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।
১০- পেটের ডান দিকের ওপরের অংশে ভারী ভাব:----- যকৃৎ বা পিত্তথলি বড় হয়ে গেলে এমন অনুভূতি হতে পারে।
১১- পায়ে হঠাৎ ব্যথা ও ফোলা:------ রক্তনালিতে রক্ত জমাট বাঁধার কারণে এক পা ফুলে যাওয়া, ব্যথা বা লালচে ভাব দেখা দিতে পারে।
১২- খাবার খাওয়ার পর পেটব্যথা ও বমি বেড়ে যাওয়া:----- টিউমার পাকস্থলী বা আশপাশের অংশে চাপ সৃষ্টি করলে এমন সমস্যা হতে পারে।
অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার শরীরের ভেতরে কীভাবে জটিলতা সৃষ্টি করে------------?
এই ক্যান্সার শুধু অগ্ন্যাশয়কে আক্রান্ত করে না। টিউমারের অবস্থান, আকার এবং রোগের বিস্তারের ওপর নির্ভর করে শরীরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে।
১) যকৃৎ ও পিত্তনালিতে বাধা:-------- টিউমার পিত্তনালিতে চাপ সৃষ্টি করলে পিত্তের স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এর ফলে জন্ডিস, গাঢ় প্রস্রাব, চুলকানি এবং হজমের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
২) হজম ও পুষ্টি শোষণে ব্যাঘাত:--------- অগ্ন্যাশয়ের এনজাইমের কার্যক্রম ব্যাহত হলে চর্বি হজমে সমস্যা, তৈলাক্ত মল, অপুষ্টি এবং ওজন হ্রাস হতে পারে।
৩) রক্তে শর্করার ভারসাম্য নষ্ট হওয়া:------- ইনসুলিন উৎপাদনকারী কোষের কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্ত হলে ডায়াবেটিস দেখা দিতে পারে অথবা আগে থেকে থাকা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হতে পারে।
৪) স্নায়ুতে চাপ ও দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা:----------- ক্যান্সার আশপাশের স্নায়ুতে ছড়ালে পেট থেকে পিঠ পর্যন্ত তীব্র বা স্থায়ী ব্যথা হতে পারে।
৫) পাকস্থলী ও অন্ত্রে বাধা:--------- টিউমার আশপাশের পরিপাকতন্ত্রে চাপ সৃষ্টি করলে খাবার গ্রহণ, হজম এবং পাকস্থলী থেকে খাবার অন্ত্রে যাওয়ার স্বাভাবিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হতে পারে।
৬) যকৃৎ ও অন্যান্য অঙ্গে ছড়িয়ে পড়া:-------- ক্যান্সার যকৃৎ, পেটের ভেতরের আবরণ, ফুসফুস বা অন্যান্য অঙ্গে ছড়িয়ে পড়লে সংশ্লিষ্ট অঙ্গের কার্যক্রমে জটিলতা দেখা দিতে পারে।
৭) রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি:----------- ক্যান্সারের কারণে রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা বাড়তে পারে। পায়ের গভীর শিরায় রক্ত জমাট বেঁধে তা ফুসফুসে পৌঁছালে প্রাণঘাতী পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।
কোন বিষয়গুলো অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ায়----------?
গবেষণায় অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারের সঙ্গে কয়েকটি ঝুঁকির সম্পর্ক পাওয়া গেছে:
১- ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্যের ব্যবহার।
২- দীর্ঘদিনের অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ বা Chronic Pancreatitis।
৩- স্থূলতা ও অতিরিক্ত শরীরের ওজন।
৪- ডায়াবেটিস, বিশেষ করে কিছু ক্ষেত্রে নতুন করে ডায়াবেটিস দেখা দেওয়া।
৫- বয়স বৃদ্ধি।
৬- পরিবারের নিকটাত্মীয়ের অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারের ইতিহাস।
৮- BRCA1, BRCA2, PALB2-সহ নির্দিষ্ট বংশগত জিনগত পরিবর্তন।
(তবে মনে রাখবেন, এসব ঝুঁকি থাকলেই ক্যান্সার হবে এমন নয়। আবার কোনো পরিচিত ঝুঁকি না থাকলেও এই ক্যান্সার হতে পারে।)
কখন লক্ষণগুলোকে বিশেষ গুরুত্ব দেবেন--------?
নিচের পরিবর্তনগুলো অবহেলা করবেন না:
১- কোনো কারণ ছাড়াই ক্রমাগত ওজন কমে যাচ্ছে।
২- পেটের ওপরের অংশের ব্যথা পিঠ পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ছে।
৩- চোখ হলুদ হয়ে যাচ্ছে, প্রস্রাব গাঢ় হচ্ছে এবং মল ফ্যাকাশে হচ্ছে।
৪- নতুন করে ডায়াবেটিস দেখা দেওয়ার সঙ্গে ওজন কমছে।
৫- খাবার গ্রহণে সমস্যা, বারবার বমি বা অস্বাভাবিক দুর্বলতা বাড়ছে।
৬- হঠাৎ এক পা ফুলে যাচ্ছে অথবা শ্বাসকষ্ট হচ্ছে।
৭- চোখ-ত্বক হলুদ হওয়া, অকারণে ওজন কমা বা স্থায়ী পেটব্যথার মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের মূল্যায়ন জরুরি। হঠাৎ শ্বাসকষ্ট বা বুকব্যথা হলে জরুরি চিকিৎসা নিন।
গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য:---------
অনেক পেশেন্টের প্রাই একই ধরনের কথা বলেন ------
“বছরের পর বছর চিকিৎসা নিয়েও সুস্থ হতে পারছি না কেন? আমার কি এই রোগ থেকে মুক্তির কোনো উপায় নেই? আর কতদিন এই কষ্ট বয়ে বেড়াব? কোথায় গেলে আমি সুস্থতার পথ খুঁজে পাব?”
আপনাদের বুঝতে হবে, প্রত্যেকটা রোগেরই চিকিৎসা রয়েছে, সমাধানের পথ রয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, আপনি যে চিকিৎসা নিচ্ছেন, তা কি সত্যিই রোগের মূল সমস্যাকে লক্ষ্য করে হচ্ছে, নাকি শুধু উপসর্গের চিকিৎসা হচ্ছে? কারণ দীর্ঘদিন চিকিৎসা নেওয়ার পরও সুস্থ না হলে চিকিৎসার কার্যকারিতা ও রোগের মূল কারণ নিয়ে নতুন করে ভাবতে হবে।
Allopathy চিকিৎসা নেওয়ার পরেও
সুস্থতার পথে শরীরের যেসব প্রধান কার্যপ্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হতে পারে:----------
১- কোষের বিপাকীয় কার্যক্রম: কোষে শক্তি উৎপাদন ও স্বাভাবিক বিপাক প্রক্রিয়া।
২- রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা: জীবাণু ও সংক্রমণের বিরুদ্ধে শরীরের প্রতিরোধক্ষমতা।
৩- প্রদাহ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা: শরীরের প্রদাহ সৃষ্টি ও নিয়ন্ত্রণের প্রক্রিয়া।
৪- হরমোনের ভারসাম্য: শরীরের বিভিন্ন হরমোনের উৎপাদন ও কার্যক্রমের নিয়ন্ত্রণ।
৫- কোষের মেরামত ও পুনরুদ্ধার: ক্ষতিগ্রস্ত কোষের মেরামত ও স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ফিরে পাওয়ার প্রক্রিয়া।
৬- কোষের বৃদ্ধি ও বিভাজন: কোষের স্বাভাবিক বৃদ্ধি, নতুন কোষ তৈরি ও বিভাজন নিয়ন্ত্রণ।
৭- ডিএনএ মেরামতব্যবস্থা: কোষের জিনগত উপাদানের ক্ষতি শনাক্ত ও মেরামত করার প্রক্রিয়া।
৮- অস্বাভাবিক কোষের নিয়ন্ত্রিত মৃত্যু: ক্ষতিগ্রস্ত বা অপ্রয়োজনীয় কোষকে স্বাভাবিক নিয়মে অপসারণের প্রক্রিয়া।
৯- ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যুর পুনর্গঠন: শরীরের ক্ষতিগ্রস্ত কলা ও টিস্যুর মেরামত এবং পুনর্গঠন।
১০- রক্ত সঞ্চালনব্যবস্থা: শরীরের কোষ ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গে অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ।
১১- যকৃতের বিপাক ও ক্ষতিকর পদার্থ প্রক্রিয়াকরণ: বিভিন্ন পদার্থের বিপাক এবং শরীর থেকে অপসারণের উপযোগী করে প্রক্রিয়াকরণ।
১২- কিডনির রক্ত পরিশোধনব্যবস্থা: রক্ত থেকে বর্জ্য পদার্থ অপসারণ এবং পানি ও খনিজের ভারসাম্য রক্ষা।
১৩- খাদ্য হজম ও পুষ্টি শোষণ: খাবার ভেঙে পুষ্টি উপাদান তৈরি এবং শরীরে শোষণের প্রক্রিয়া।
১৪- কোষের শক্তি উৎপাদনব্যবস্থা: কোষের মাইটোকন্ড্রিয়ার মাধ্যমে শক্তি উৎপাদন।
১৫- কোষের সংকেত আদান-প্রদানব্যবস্থা: কোষের মধ্যে সংকেত আদান-প্রদান এবং বিভিন্ন কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ।
১৬- বিভিন্ন অঙ্গের সমন্বিত কার্যক্রম: মস্তিষ্ক, হৃদ্যন্ত্র, ফুসফুস, যকৃৎ, কিডনি ও অন্যান্য অঙ্গের পারস্পরিক সমন্বয়।
চিকিৎসা:----------
সঠিক চিকিৎসা পদ্ধতি ---
Holistic Medicine শরীরের যেসব প্রধান অঙ্গ ও কার্যপ্রক্রিয়াকে সহায়তা করার লক্ষ্য রাখে--------
১. রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা: শরীরের রোগ প্রতিরোধী কোষ ও প্রতিরক্ষাব্যবস্থার স্বাভাবিক কার্যক্রম।
২. যকৃৎ: পুষ্টি উপাদানের বিপাক, বিভিন্ন পদার্থ প্রক্রিয়াকরণ ও বর্জ্য অপসারণে সহায়তা।
৩. কিডনি: রক্ত পরিশোধন, বর্জ্য অপসারণ এবং পানি ও খনিজের ভারসাম্য রক্ষা।
৪. অগ্ন্যাশয়: হজমকারী এনজাইম উৎপাদন ও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণের কার্যক্রম।
৫. অন্ত্র ও পরিপাকতন্ত্র: খাদ্য হজম, পুষ্টি শোষণ ও অন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম।
৬. হৃদ্যন্ত্র ও রক্তনালি: শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ও কোষে অক্সিজেন ও পুষ্টি সরবরাহ।
৭. কোষের বিপাকীয় কার্যক্রম: কোষে শক্তি উৎপাদন ও স্বাভাবিক বিপাক প্রক্রিয়া।
৮. হরমোন নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা: হরমোনের উৎপাদন, ভারসাম্য ও কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ।
৯. প্রদাহ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা: শরীরের প্রদাহজনিত প্রতিক্রিয়ার স্বাভাবিক নিয়ন্ত্রণ।
১০. কোষের মেরামত ও পুনর্গঠন: ক্ষতিগ্রস্ত কোষ ও টিস্যুর স্বাভাবিক মেরামত প্রক্রিয়াকে সহায়তা।
১১. মাইটোকন্ড্রিয়া: কোষের শক্তি উৎপাদন ও শক্তিনির্ভর কার্যক্রম।
১২. মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্র: শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের কার্যক্রমের সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ।
মনে রাখবেন----
শরীরের প্রধান অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ, কোষ ও জৈবিক মেকানিজমের স্বাভাবিক কার্যক্রম পুনরুদ্ধারই সুস্থতার পথে এগিয়ে যাওয়ার মূল ভিত্তি।
সর্বশেষ কথা :-------
রোগের যন্ত্রণা কতটা ভয়াবহ, তা শুধু একজন রোগীই জানেন! বছরের পর বছর কষ্ট সহ্য করে ভুল চিকিৎসায় সময় হারাবেন না। রোগের অবনতি হওয়ার আগেই সচেতন হোন, সঠিক চিকিৎসার পথ খুঁজুন। মনে রাখবেন, হারিয়ে যাওয়া সময় সবসময় ফিরে আসে না!
Dr.Ammar Hossain
Holistic Health & Natural Medicine Specialist
